সমসাময়িক

সরকারের চোখে অনেক কিছু দেখতে পায় না, আর না হয় জানা থাকে না।

This post was most recently updated on নভেম্বর 1st, 2018

হায়রে কোটা, দেশ খেল ধোকা,

কোটা পদ্ধতি পুনর্বিন্যাসের জন্য শান্তির দাবিতে ঢাকা ভার্সিটি ক্যাম্পাসে হাজার হাজার শিক্ষার্থী জড়ো হয়েছে।
বর্তমান ব্যবস্থায়, 56% চাকরি কোটা হোল্ডারদের জন্য সংরক্ষিত। এই অত্যন্ত ত্রুটিপূর্ণ সিস্টেমের মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থী বেকার।
সরকার ইতিমধ্যেই শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের উপর সশস্ত্র পুলিশ এবং ছাত্রলীগ হামলা করেছে ।
500 জনেরও বেশি শিক্ষার্থী ইতিমধ্যেই আহত হয়েছে। উপরন্তু, বিশ্ববিদ্যালয় blackout এবং বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা মধ্যে ইন্টারনেট সংযোগ বন্দ করে দিয়েছে। 9 এপ্রিল 2018 তারিখে, পুলিশ টিয়ার গ্যাস দিয়ে ঘুমন্ত শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের হল আক্রমণ করে এবং সম্প্রচার মাধ্যম বন্ধ করে দেয়।

বাংলাদেশ এর শিক্ষা ব্যবস্থা পঙ্গু

বাংলাদেশ এর শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের মূল কারন এই কোটা ব্যবস্থা ।আজ বাংলাদেশের প্রশ্ন ফাস ,পরিক্ষায় নকল কেন হচ্ছে?
কারন একটাই ,কোটার মাধ্যমে নিয়োগের কারনে ,মেধাবী শিক্ষকের অভাবে ।,ছাত্রছাত্রীরা ভাল করে পড়া বোঝে নিতে পারছে না,
ছাত্রছাত্রীরা আজ মেধা শূন্য হয়ে পরছে , কেন তা আপনারা সুহজেই বুজতে পারছেন, বুঝতেছেনা আমাদের বিজ্ঞ সরকার।একই কারনে বাড়ছে কোচিং বানিজ্য ,
উপায় নাই ,যেকোনো উপায়ে পাশ্  করতে হবে।তবে ১ টা সত্য কথা কোচিং এ যারা টিচার তারা  সরকারি কোটায় নিয়োগ প্রাপ্ত দের চাইতে ১০০% ভাল মেধাবি ,
তা আপনাদের বলে বুঝানোর কোন দরকার নেই ।

আমার প্রশ্ন হল , সরকার অযথা কোটা কেন করল?দেশকে বাঁচাতে!নাকি মুর্খ একটি জাতি উপহার দিতে চান এই পৃথিবীর বুকে?আমি মনে করি,দেশে কোন কোটা থাকবে না, প্রত্যেক যায়গায় মেধাবিরা সুযোগ পাবে, অন্যথায় উপরের লাইনটি বৃথা যাবে না।

সরকার দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস না করে , আরেকটা কাজ করতে পারেন্ তা হল মুক্তিযোদ্দা সন্তান নাতি পতি যারাই আসুক মেধাবিদের সাথে প্রতিযোগিতায় আনার ব্যবস্থা করা।ফেল করলে তাদেরকে পুনর্ভাসন করা উচিত।  আর না হয় বেকার ভাতা দিতে পারেন আজীবন।

আপনারা জানেন, সরকারের চোখে অনেক কিছু দেখতে পায় না, আর না হয় জানা থাকে না।

বৈশাখী ভাতাঃ

এমপিও ভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা বৈশাখী ভাতাঃ পান না সেটা সরকার জানে না,এটা বলেছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।জানার পর কি হইল, তা আপনারাই জানেন।

আরও আশ্চর্য হল বিসি আই সি শ্রমিকদের অনাহারে অর্ধাহারে নির্মম  জীবন যাপন ।যারা science থেকে বিএসসি , এম এস সি পাশ কৃত শ্রমিক ,তাদের বৈশাখী ভাতার কোন খবর এ নাই।রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানার শ্রমিকদের মজুরী স্কেলই দিচ্ছেনা , আমাদের শ্রমিক  বান্ধব এই সরকার ??????।
অনাহারে অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছেন হাজার হাজার শিক্ষিত মেধাবি শ্রমিক এবং তাদের পরিবার।
প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যে বলেছিলেন,আমি শ্রমিকদের হয়ে কথা বলি, আমি শ্রমিকদের নেতা হয়ে কথা বলি,
অথচ ২০০৯ এর পর রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানার শ্রমিকদের বেতন বাড়ে নাই
হয়ত আবার প্রধানমন্ত্রী বলবেন, রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানার শ্রমিকদের বেতন বাড়েনাই, এটা আমার জানা ছিল না।

আজ যদি বিসি আই সি থেকে শ্রমিকরা বিদেশে ফার্টিলাইজার সেক্টর বা গ্যাস কোম্পানীতে এ যাইতে পারত, এমন আরেকটি সোনার বাংলাদেশ তৈরী সম্ভব ছিল।কিন্তু বিদেশে যাইতেও সরাকারি বা্ধা। জে এস পি সুবিধা হারাইছে শ্রমিকদের সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার জন্য।ইওরোপের পোশাকের বাজার ও হারাবে বাংলাদেশ সেদিন খুবই সন্নিকটে।

শ্রমিকদের মধ্যে দুই স্কেল ঃজাতীয় বেতন স্কেল ও মজুরী স্কেল।এটা বাংলাদেশ বাদে পৃথিবীর কোথাও খুজে পাবেনা ।
বাংলাদেশ দিন দিন ডিজিটাল নাম করে মূর্খতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে।
আপনার কি মতামত এই কোটা ব্যবস্থা নিয়ে?

কিভাবে এই পদ্ধতির সংস্কার হবে মনে করেন?

মজুরি স্কেল নাকি এই পদ্ধতির ও সংস্কার হবে?

সবাইকে জাতিয় বেতন স্কেলের আওতায়  নিয়ে আশা যায় কিনা?

আপনার মতামত দিন।

Rasel Khandaker

Rasel Khandaker একজন অনলাইন একটিভিটিস্ট এবং মার্কেটার। সে তার অবসর সময়ে বই পড়তে পছন্দ করেন। সে তার ওয়েবসাইটে এমন সব বই এবং মার্কেটিং টিপস শেয়ার করে যা অনেক মানুষ কে তার অনলাইন ক্যারিয়ার এবং পছন্দের বই খুজে বের করতে সাহায্য করে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
Close