Menu Close

Himu Series Pdf Download by Humayun Ahmed~হিমু সমগ্র – হুমায়ূন আহমেদ

হুমায়ূন আহমেদ এর  হিমু সমগ্র।

হুমায়ূন আহমেদের হিমু সমগ্র

হিমু  সিরিজ  নিয়ে কিছু কথাঃ

হিমু হলো হুমায়ুন আহমেদ রচিত প্রিয় একটি কাল্পনিক চরিত্র। হিমু একজন বেকার যুবক এবং আচরণ কিছুটা অজাগতিক।
হিমু সিরিজ এর প্রথম উপন্যাস ময়ূরাক্ষী। এর পর হিমুর বিচ্ছিন্নভাবে অনেক উপন্যাস প্রকাশিত হতে থাকে। হুমায়ুন আহমেদ সৃষ্ট সর্বাধিক জনপ্রিয় দুটি কাল্পনিক চরিত্র হলো হিমু ও মিসির আলি। কিছু কিছু নারী এবং পুরুষ হিমুকে সত্যি বলে মনে করেন। আবার কোন কোন হিমুভক্ত নিজেকে হিমু বলে দাবি করেন।

নাম – হিমুর প্রকৃত নাম হিমালয়। হিমু যখন ছোট ছিল তখন তার বাবা তার নাম রেখেছিলেন হিমালয়, যা হিমালয় পর্বতের ন্যায় মহত্ব প্রকাশ করে। হিমুর বাবা তাকে একজন মহাপুরুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। এজন্য তিনি তার ছেলের এই নাম রেখেছিলেন। পরে ছাত্রজীবনে এই নাম নিয়ে তাকে অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। তার দাদা হিমুর অন্য নাম রাখতে চেয়েছিলেন, কিন্তু হিমু তার বাবার দেয়া নামই রাখে।

চরিত্র – হুমায়ুন আহমেদ এর সৃষ্ট চরিত্র হিমুর আসল নাম হিমালয় ।তার বাবা এ নামটি রেখেছিলেন । লেখক বর্ণনা করেছেন হিমুর বাবা একজন বিকারগ্রস্ত মানুষ ,যার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার যদি প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরি করা যায়, তবে একইভাবে মহাপুরুষও তৈরি করা সম্ভব। এই লক্ষ্যে তার একটি মহাপুরুষ তৈরির স্কুল ছিল, যার ছাত্র ছিল তারই সন্তান হিমু। হিমুর পোশাক হল পকেট ছাড়া হলুদ পাঞ্জাবী। ঢাকার অলিগলিতে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে ছিল তার অন্যতম কাজ। তার মধ্যে মাঝে মাঝে আধ্যাত্মিক ক্ষমতার প্রকাশ দেখা যায়। তবে হিমু নিজে তার আধ্যাত্মিক ক্ষমতার কথা স্বীকার করে না। হিমুর আচার আচরণ ছিল খুবই বিভ্রান্তিকর। তার প্রতিক্রিয়া অন্যদেরকে বিভ্রান্ত করে এবং এই বিভ্রান্ত করা অত্যন্ত প্রিয় একটি কাজ।উপন্যাসে হিমুর কিছু ভক্ত থাকে যারা হিমুকে মহাপুরুষ মনে করে। হিমুর খালাতো ভাই বাদল অন্যতম। মেস ম্যানেজার বা হোটেল মালিক- এরকম কিছু ভক্ত চরিত্র প্রায় তার সব উপন্যাসেই  দেখা যায়।

হিমুর শিক্ষা – হিমু ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টার পাশ করে। এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছে এমনটাই বলা হয়েছে। তবে পাশ করেছে কিনা সে বিষয়টি উল্লেখিত হয়নি।

হিমুর উপস্থিতি – হিমুর বয়স ১৮-২৫ বছরের মধ্যে। সে দেখতে খুব বেশি সুন্দর নয়, বরং তার পোশাক এবং গেট-আপ বিরক্তিকর। সবসময় সে হলুদ রঙের পাঞ্জাবী পরে। রাতে রাস্তায় হাঁটাহাঁটি করে। তার খালাতো ভাই বাদল তার অন্ধভক্ত। যে তার আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতি বিশ্বাসী এবং তাকে অনুসরণ করার চেষ্টা করে। হিমু মাঝে মাঝে এমন ভবিষ্যতবাণী করে যা প্রায় সময়েই মিলে যায়। সে তার যুক্তি ও বিরোধী মত অনুসারে কাজ করে এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করে দেয়।হিমুর জীবন যাপন বিশাল অদ্ভুত। তার জীবনটা উল্টাপাল্টা ধরনের । মেসে তার বন্ধু-বান্ধবের সাথে থাকে । মাঝে মাঝে রাস্তায় ও পার্কের মধ্যে রাত কাটায়। তার প্রধান কাজ রাস্তায় ঘুরে বেরানো ও মানুষকে বিভ্রান্ত করা। তার কোনো কাজ নেই। হিমুর বেশকিছু বিত্তবান আত্মীয়সজন রয়েছে। হিমু প্রায়ই তার বিত্তবান আত্মীয়সজনদের কাছ থেকে উপহার এবং অর্থ সাহায্য পায়।

সারকথাঃ  হিমু একটি স্বতন্ত্র ব্যাক্তিত্ব। সে প্রায়ই তার মত অনুসারে আচরণ করে এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করে এবং তার এইরকম অযৌক্তিক ব্যাক্তিত্বের কারনে সে অনেক সম্ভাব্য বিপদ থেকে রক্ষা পেয়ে যায়। তার এরূপ আচরণে অনেক মানুষ তাকে মহাপুরুষ ভাবতে শুরু করে।

হিমু সমগ্র / সিরিজ 

 

1.      ময়ূরাক্ষী -হুমায়ূন আহমেদ
2.      আঙুল কাটা জগলু -হুমায়ূন আহমেদ
3.      আজ হিমুর বিয়ে -হুমায়ুন আহমেদ
4.      একজন হিমু কয়েকটি ঝিঁঝিঁ পোকা -হুমায়ুন আহমেদ
5.      এবং হিমু -হুমায়ুন আহমেদ
6.      চলে যায় বসন্তের দিন -হুমায়ুন আহমেদ
7.      তোমাদের এই নগরে -হুমায়ুন আহমেদ
8.      দরজার ওপাশে -হুমায়ুন আহমেদ
9.      পারাপার -হুমায়ুন আহমেদ
10.  সে আসে ধীরে -হুমায়ুন আহমেদ
11.  হলুদ হিমু কালো র‍্যাব -হুমায়ুন আহমেদ
12.  হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী – হুমায়ুন আহমেদ
13.  হিমু এবং হার্ভার্ড Ph.D. বল্টুভাই -হুমায়ুন আহমেদ
14.  হিমু মামা – হুমায়ুন আহমেদ
15.  হিমু রিমান্ডে -হুমায়ুন আহমেদ
16.  হিমু -হুমায়ুন আহমেদ
17.  হিমুর আছে জল -হুমায়ুন আহমেদ
18.  হিমুর দ্বিতীয় প্রহর -হুমায়ুন আহমেদ
19.  হিমুর নীল জোছনা -হুমায়ুন আহমেদ
20.  হিমুর মধ্যদুপুর – হুমায়ুন আহমেদ
21.  হিমুর রূপালী রাত্রি -হুমায়ুন আহমেদ
22.  হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম -হুমায়ুন আহমেদ

আশা করি হুমায়ূন আহমেদ এর হিমু সমগ্র / সিরিজ এর গল্পের বই গুলো হবে আপনাদের অবসর সময়ের সঙ্গি। আমাদের ওয়েব সাইটে হুমায়ূন আহমেদ সহ অনেক প্রসিদ্ধ লেখকের বই পাবেন বিনা মূল্যে। তাই সব সময় আমাদের সাথে থাকুন এবং মজার মজার সব বই পড়ুন।

%d bloggers like this: